ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে কী কী জানতে হবে ?

সুপ্রিয়, পাঠক আশা করি আপনারা ভালো আছেন। ইথিক্যাল হ্যাকিং কী এই বিষয়টি সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। আজকে আমি এই আর্টি কেল এর মাধ্যমে জানিয়ে দিব। ইথিক্যাল হ্যাকিং কী এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে কী জানতে হবে

ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে কী কী জানতে হবে ?

ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে হলে আমিাদের হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে হবে। যারা হ্যাকিং ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে কিছুই জানেন না । তারা এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে।

 হ্যাকিং কী?

বর্তমান সময়ে হ্যাকিং সম্পর্কে  জানে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল। হ্যাকিং বলতে বোঝায় বিনা অনুমতিতে তথ্য, ফাইল চুরি। আরো সদহজ ভাষায় বললে আমরা সব সময় শুনতে পারি কোনো ফেসবুক আইডি , বা ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল আমরা হ্যাক হতে শুনি। এটাই মূলত হ্যাকিং। 

যদি কোনো হ্যাকার বা সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট কোনো রকমের আইনত অনুমতি ছাড়া বা বেআইনি ভাবে অন্য কোনো কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক এর অ্যাকসেস নিয়ে নেয় । তখন হ্যাকিং এটা হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে যায়। 

ইথিক্যাল হ্যাকিং কী?

আপিনি যখন হ্যাকার শব্দের সাথে ইথিক্যাল হ্যাকার বা হ্যাকিং এই শব্দের সাথে ইথিক্যাল এই শব্দটা দিয়ে দিবেন। তখন জিনিসটা বিপরীতমুখী কাজ করবে। ইথিকস বলতে আমরা নৈতিক বুঝি। বা যেই কাজটা আসলে নৈতিকতা মেনে করা হয় তাকে ইখিক্যাল হ্যাকিং বলে ।

হ্যাকিং এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং এর পার্থক্য

আপনার উপরের অংশ পড়ে বুঝতে পেরেছেন। হ্যাকিং এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং কী? এখুন জানবো হ্যাকিং এবং ইথিক্যাল এর মাঝে পার্থক্যটা কী? তো চলুন জেনে নেওয়া যাক হ্যাকিং এবং ইথিক্যাল এর মঝে পাথ্যক্যটা কী?যারা অন্যায় ভাবে বিনা অনুমতিতে  কারো ভার্চুয়াল একাউন্ট বা কোনো ওয়েবসাইট এর অ্যাকসেস নিয়ে নেয় তখন এটাকে হ্যাকিং বলা হয়।
আর ইথিক্যাল হ্যাকিং হচ্ছে ওয়েবসাইট এর মালিক এর অনুমতিতে গোপনীয় তথ্য সম্পর্কে চুক্তি করে তার একাউন্টটি হ্যাকার এর চোখে দেখা যে, তার একাউন্ট বা ওয়েবসাইট কতটুকু নিরাপদ আছে। এবং তার একাউন্ট হ্যাক করা যায় কিনা এসব চেক করে একাউন্ট এর সিকিউরিটি দেওয়াই হচ্ছে ইথিক্যাল হ্যাকিং।

ইথিক্যাল হ্যাকিং করে কি লাভ?

আমরা অনেকেই ভাবছি যে, আমরা ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখে কি করব। ইথিক্যাল হ্যাকিং করে আমাদের কী লাভ? এই ইথিক্যাল হ্যাকিং করেও আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। যেকোনো একাউন্ট বা ওয়েবসাইটটের মালিক আপনাকে ইথিক্যাল হ্যাকার হিসেবে হায়ার করবে। ইথিক্যাল হ্যাকিংটা বর্তমান  এবং ভবিষ্যৎ এর অনেক দুর্দ্রান্ত লেভেলের একটা পজিশন। যেটা আপনি যদি শিখতে পারেন সাইবার স্পেশালিষ্ট বা সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন।

ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে যা যা জানতে হবে? 

সুপ্রিয় পাঠক উপরের আলোচনার দ্বারা আপনারা বুঝতে পেরেছেন ইথিক্যাল হ্যাকিংটা কী এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং করে কী লাভ। তো এখুন চলুন জেনে নেওয়া যাক এই ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে আপনাকে কী কী বিষয়ে জানতে হবে। 

কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা থাকা

প্রথমেই আপনার কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। আপনি যদি একজন মোবাইল ব্যবহার কারী হয়ে থাকেন। আর কম্পিউটার সম্পর্কে কোনা ধারণাই না থাকে। তাহলে আপনি কিন্তু অবশ্যই সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট হওয়ার ক্ষেত্রে বা ইথিক্যাল  হ্যাকার হওয়ার ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম ধাপ হচ্ছে আপনাকে কম্পিউটার জানতে হবে। কম্পিউটার এর বেসিক থেকে শুরূ করে কম্পিউটার নেটওর্য়াককিং এই বিষয়গুলো যা আছে টুকটাক এই বিষয় গুলো আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। 

সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারণা থাকা

আসলে সার্চ ইঞ্জিনটা কি? সার্চ ইঞ্জিন হলো আমরা যে গুগলে গিয়ে সার্চ করি । গুগল একটা সার্চ ইঞ্জিন তারপরে ইয়াহু একটা সার্চ ইঞ্জিন। আরো অনেক রকম সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে পৃথিবীতে। এই সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আপনি যত বেশি জ্ঞান রাখতে পারবেন। তত বেশিই ইথিক্যাল হ্যাকিং বা হ্যাকার হওয়ার জন্য এগিয়ে থাকবেন। তাই ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে অবশ্যই আপনাকে সার্চি ইঞ্জিন সম্পর্কে  জানতে হবে। 

প্রোগামিং এর ভাষা সম্পর্কে ধারণা থাকা

আপনি যদি ইথিক্যাল হ্যাকার হতে চান প্রোগামিং এর ভাষা জানা না থাকলে আপনি কিন্তু কোনো সিস্টেমকে রেডি করতে পারবেন না। বা কোনো ওয়েবসাইট এর প্রোগামকে রেডি করতে পারবেন না। বা বুঝতেই পারবেন না। সুতরাং আপনি যদি একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হতে চান । তহেলে প্রোগামিং এর ভাষা সম্পর্কে আপনার অবশ্যই অবশ্যই জানা থাকতে হবে। 

লিনেক্স অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

আপনি যদি একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হতে চাও। তাহলে আপনাকে সকল ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে  জানতে হবে। আর লিনেক্স অপারেটিং এ যে কমান্ডগুলো রয়েছে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের জ্ঞান থাকতে হবে। 

নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। 

আমরা উপরের দিকে ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে শিখলাম। আপনি যদি একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হতে চান। তাহলে আপনাকে নেটওর্য়াক এর যে ক্ষেত্র রয়েছে এইটা সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণ জ্ঞান থাকতে হবে। আর এই নেটওর্য়াকিং সম্পর্কে অবশ্যই অবশ্যই জানতে হবে।
আরও জানুন,

শেষ কথা

আমি আপনাদের ইথিক্যাল হ্যাকিং শেখার জন্য যা যা করতে হবে। বা যা যা শিখতে সেটা আলোচনা করেছি। আর ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধরে শিখতে হবে। আর আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে দিবেন। এবং এ রকম আরো আর্টিকেল পেতে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করূন, ধন্যবাদ সবাইকে।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url