vivo বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন অরেকটি ফোন y27

আমাদের মাঝে আমরা অনেকেই আছি যারা আমরা মোবাইল ফোনকে বেশি ভালোবাসি তো আমাদের জন্য একটা সুখবর vivo ব্র্যান্ড আমাদের জন্য নতুন আরেকটি ফোন বাজারে নিয়ে এসেছে যেটার মডেল vivo y27 খুবই কম মূল্যে এই ফোনটি আমাদেরকে দেয়া হবে ।

vivo বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন অরেকটি ফোন y27



এই ফোন নিয়েই আজকের এই পোস্টটি আলোচনা করা হবে এই ফোনটা কেমন র‍্যাম কত বিস্তারিত রিভিউ এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আমরা সরাসরি আলোচনায় চলে যাই। স্মার্টফোনটির মূল্য ধরা হয়েছে ২২৯৯৯ টাকা এই ফোনটা ৬ / ১২৮ ভেরিয়েন্ট ফোন। এই ফোনটা আমি কিছুদিন ধরে ব্যবহার করতেছি তো এই ফোনটির কি কি দিক ভালো পেয়েছি এবং কি কি দিক খারাপ পেয়েছি তাই নিয়ে আলোচনা করব আজকের এই পোস্টটিতে

ফোনটির সাথে কি কি থাকছেঃ
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক যে এই ফোনটির সাথে আমরা কি কি পাবো প্রথমে আমরা একটা 44 ওয়ার্ড এর ফ্ল্যাশ চার্জার এবং একটি ট্রান্সপারেন্ট বেক কাভার যেটি খুবই সফট, usb টাইপ সি ক্যাবল সিম ইজেক্টর এবং ইউজার ম্যানুয়াল।

ডিজাইনঃ
ডিজাইন দিয়েই শুরু করা যাক ভিভো ওয়াই ২৭ এর ডিজাইন একেবারেই মন মাতানো এবং আকর্ষণীয়। প্রথম দেখাতেই আমার এই ফোনটির ডিজাইন ভালো লেগেছে ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে রাইটিং কন্ডিশন চেঞ্জ এর সাথে সাথে বিভিন্নতা দেখতে পারবেন। ম্যাট ফিনিক্স থাকায় একেবারেই আঙুলের ছাপ বসবে না।

এয়ারপোর্টে বড় দুটি ক্যামেরা বাম যার চারপাশে গোল্ডেন বর্ডার দেওয়া আমার কাছে যেটা মনে হয় যে এই ক্যামেরা টুকু একটু বেশি বড় হয়েছে যদি আর একটু ছোট করত তাহলে দেখতে আরো সুন্দর লাগতো। ফোনটির বিল ম্যাটেরিয়াল সম্পূর্ন প্লাস্টিকের ফোনটিতে আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে এটি যথেষ্ট লাইট ওয়েট হচ্ছে মাত্র ১৯০ গ্রাম আর থিকনেস হচ্ছে ৮ মিলিমিটার।

ফোনটিকে হাতে নিয়ে আপনার মনে হবে না যে আপনি এত বড় একটি ফোন নিয়ে আছেন। তা আমার মত যারা হালকা পাতলা খুব পছন্দ করেন তাদের জন্য একেবারে পারফেক্ট। ফোনটির উপরের দিকে থাকছে সিম মেমরি স্লট যেটিতে আপনি দুটি সিম কার্ড ও একটি মেমোরি ইউজ করতে পারবেন। নিচের দিকে থাকছে ৩.৫ এর হেডফোন চেক প্রাইমারি মাইক্রোফোন ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট এবং স্পিকার।

সিঙ্গেল স্পিকার প্রোভাইড করা হয়েছে যার কোয়ালিটি আমার কাছে ঠিকঠাক লেগেছে তবে আপনি যদি ভালো সাউন্ড আশা করেন তবে তার হলেন আপনাকে 80% রাখতে হবে।ফোনটির ডান পাশে থাকছে পার বাটন ও ভলিয়াম বেকার

পাওয়ার বাটন এর সাথেই করা হয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিস্টেম ফোনটির বাম পাশে একেবারে ফাঁকা। যদি আমরা ফন্টের সামনের দিকে চলে আসি তাহলে এখানে দেখতে পাচ্ছি ইউ সেপ নার্সযুক্ত একটি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে যেটা কিন্তু এই সময় এসে বেমানান এখানে একটি পানসল প্রোভাইড করা উচিত ছিল।

ডিসপ্লেঃ
ফোনটিতে থাকছে ৬.৬ ইঞ্চি একটি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে যেটি ফুল এইচডি প্লাস রেজুলেশনের একটি ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ১০৮০ বাই ২৩৮৮ পিক্সেল এটি রেগুলার ৬০ হার্জ এর একটি প্যানেল ভিজিবিলিটি প্রাইস হিসেবে আমার কাছে ঠিকঠাক লেগেছে সরাসরি সূর্যের আলোতে অপারেট করতে খুব একটা ঝামেলা হয়নি। 

আইপিএস ডিসপ্লে হিসেবে কালার ঠিকঠাক লেগেছে আমার কাছে তবে ৬০ হার্জ এ বিষয়টি আমি মেনে নিতে পারলাম না কারণ ২৩ হাজার টাকার স্মার্টফোনে ৯০ হার্জ প্যানেল প্রোভাইড করা উচিত ছিল। ডিসপ্লেতে কোন ধরনের প্রটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে সেটা কিন্তু আমরা তাদের প্রফেশনাল ওয়েবসাইট এ পরিদর্শন করেও বুঝতে পারি নাই এক্ষেত্রে আপনাদের জন্য পরামর্শ থাকবে অবশ্যই আপনারা এখানে একটি প্রোটেকশন গ্লাস ব্যবহার করবেন।

পারফরমেন্সঃ
এখন কথা বলা যাক পারফেক্ট ম্যাচ নেই তো ফোন টিতে সিপি ইউ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Media Tec Helio G85 তবে এই বাজেটে কিন্তু এটা খুব একটা জাস্টিফাই হয়নি। রেগুলার কাজ যারা করেন যেমন ফেসবুকিং ইউটিউবি নেট ব্রাউজিংফোনে কথা বলার মত অ্যাজ ইউজুয়াল কাজ আপনি অনায়াসে করতে পারবেন। তবে আপনি যদি চিন্তা করেন যদি আপনি মাঝে মাঝে হেভি গেমগুলো প্লে করবেন তাহলে একদমই আপনার জন্য না।

ভালো ব্যাপার এই যে এত প্রয়োজনীয় সেন্সরের সাথে jaiyo rescob সেন্সরও কিন্তু থাকছে । ফোনটিতে ৬ জিবি ফিজিক্যাল র‌্যাম এর সাথে আরো ৬ জিবি ভার্চুয়াল র‌্যাম থাকছে। যদিও এই ভার্চুয়াল রাম প্র্যাকটিক্যালে খুব একটা কাজের না যার কারণে আমি কোন রিভিউতে এটা নিয়ে বেশি কথা বলি না ফোনটিতে স্টোরেজ হিসেবে থাকছে 128gb।

ফোনটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে থাকছে ফান্টুস ওয়েস থার্টিন আমার এই কয়দিনের ব্যবহারে আমি এটাতে কোন লেখ জনিত সমস্যা খুঁজে পাই না যে বিষয়টি শুরুতেই বলা উচিত ছিল সে বিষয়টি হচ্ছে ফোনের ক্যামেরা সচরাচর আমরা ক্যামেরায় বেশি দেখে থাকি ফোনটিতে পিছনে ১৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ক্যামেরার পাশাপাশি দুই মেগাপিক্সেল এর বুকে এক্স লেন্স একটি এই মেগাপিক্সেল এর ক্যামেরা।

পাওয়ারঃ
ফোনটির পাওয়ার সেকশনে ৫০০০ এম্পিয়ার এর একটি ব্যাটারির সাথে থাকছে ৪৪ ওয়ার্ডের একটি ফ্লাশ চার্জার Vivo ফোনের ব্যাটারি রিপোর্ট এখনো আমি কারো থেকে পাইনি এবং আমিও এটা ইউজ করছি যদি আমি এটা ইউজুয়াল ইউজ করি না করি তাহলে আমি এটা দুই দিন ইউজ করতে পেরেছি আর যদি আমি বেশি ইউজ করি তাহলে আমি এটা দেড় দিন করতে পেরেছি।

আরও জানুনঃ

আদার্স কোয়েটের মধ্যে যেগুলো থাকে যেমন কল কোয়ালিটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডাউনলোড আপলোড স্পিড আমি সবকিছুই খুব কেয়ারফুলি টেস্ট করেছি আসলে আমি কোথাও কোন প্রবলেম খুঁজে পাইনি ফোনটা নিয়ে আমি যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি তো আপনারা যদি আপনার জন্য পারফেক্ট হয় তাহলে অবশ্যই ফোনটি নিয়ে নিবেন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url