google.com, pub-8571279523475240, DIRECT, f08c47fec0942fa0 Freelancers IT | Learn More About Freelancing and Outsourcing

sfd

৬টি উপায়ে এন্ড্রয়েড ডিভাইস দ্রুত করার ট্রিকস

  বর্তমানে মোবাইল ফোন চালায়না এমন কেউ খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর। আর যুগের বিশাল পরিবর্তনের কারণে আজকাল সবার হাতেই স্মার্টফোন থাকাটা অনেকাংশে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তাই এর ফলেই দৈনন্দিন জীবনের একটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ফোনের স্প্রীড কমে যাওয়া। বেশিরভাগ সময় দেখবো যখন ফোনটি বেশি পুরাতন হয়ে যায় তখন ফোন ল্যাগ করতে থাকে আপনার কাছে যতোই ভালো র‍্যাম এবং পারফর্মেন্সের স্মার্টফোন থাকুক না কেনো।

তাই এই স্প্রীড কমে যাওয়া ফোনকে খুব সহজেই এবং মাত্র কিছু সময় ব্যয় করেই কীভাবে ফোনের স্প্রীড কিছু ট্রিক ব্যবহার করে বাড়ানো যায় তা নিয়েই আজকের পোস্ট। ট্রিকগুলো কী তা জানতে পুরো আর্টিকেলটি স্ক্রল না একেবারে ধীরে ধীরে স্ক্রল করে পড়ার অনুরোধ রইলো।


ফোনের স্প্রীড বাড়ানোর উপায়

ফোনের বা ট্যাবলেটের স্প্রীড বাড়াতে প্রাথমিকভাবে ফোনের ডেভেলপার অপশনটি চালু করতে হবে। মূলত এই অপশনটি সুপ্ত অবস্থায় থাকে তাই এটিকে জাগ্রত বা চালু করতে হবে। ডেভেলপার অপশনটি মূলত ফোনের/ ট্যাবলেটের সেটিংসে থাকে। 

অপশন চালু করার নিয়মঃ- Settings>About Phone or About Tablet এ গিয়ে Build Number লেখাটিকে ৫বার ট্যাপ করলে ফোনের নিচে পপআপের মাধ্যমে দেখা যাবে ডেভেলপার অপশন চালু হয়েছে।  এই অপশনটার মাধ্যমে মূলত কিছু জিনিসের আপনি ফোনের পরিবর্তন করতে পারবেন। এখন এই অপশনগুলো দিয়ে কীভাবে ফোনের স্প্রীড বাড়ানো যায় পদ্ধতিগুলো দেখা যাক।

এনিমেশনের স্প্রীড কমানো

আমরা সবাই কম-বেশী নিজেদের ফোনের এনিমেশনটাকে অনেক ভালোবাসি। ফোনের উইজেটগুলি এখান থেকে ওইখানে এনিমেশন ভালোলাগে কিন্তু জানেন কি আপনার এই এনিমেশন ফোন ধীরগতি করে দেয়? উত্তরটি দুর্ভাগ্যবশত হ্যাঁ। আপনি তাই এই এনিমেশনের আউটপুটের গতি কমিয়ে দিয়ে আপনার ফোনে গতি বৃদ্ধি করা যায়। গতি বৃদ্ধি করতে প্রথমে আপনাকে যেতে হবে Settings>Developer Options>Windows Animation Scale। 

এরপর এইখানে মূলত দুইটা এনিমেশনের অপশন থাকলেও আপনাদের যেতে হবে প্রথমটায় "এনিমেশন স্কেল" যেটাতে সেটায় যেতে হবে। এরপর ক্লিক করার পর দেখা যাবে ডিফল্টভাবে এনিমেশন স্কেল 0.1x দেয়া থাকবে সেটাকে 0.50x করে দিতে হবে। পরিবর্তন করার পরে নিজেই বুঝতে পারবেন ট্রান্সসিশনগুলো কতো ভালভাবে চলছে। এর বর্তমান গতির সাথে পূর্বের গতির পার্থক্য করলেই পরিবর্তনটা পরিলক্ষিত হবে।






ব্রাউজার ক্যাচে ডিলিট করা

ক্যাচে মেমোরি হলো সেই জায়গা যেখানে মূলত টেম্পোরারি ফাইলগুলি আর ব্রাউজিং তথ্য জমা থাকে যা আপনি পূর্বে ব্রাউজ করেছিলেন। এইগুলো সংরক্ষণ করা থাকে যাতে আপনি আবার একই পেইজে গেলে খুব দ্রুত যেতে পারেন তাই। তাই এইখানের ব্রাউজারের পাসওয়ার্ডের দরকার না পরলে সেগুলো ডিলিট করে দিলে গতি বৃদ্ধি পায়। আর এই ক্যাচে ফাইল ডিলিট করলে গতি বৃদ্ধি পায় ফোনের। 

ক্যাচে ডিলিট করতে প্রথমে ব্রাউজারের (আমাদের ক্ষেত্রে আমরা ক্রোম ব্রাউজার নিচ্ছি) সেটিংয়ে যেতে হবে। তারপর প্রাইভেসি অপশনে যাওয়ার পরেই দেখতে পাবেন ক্যাচে ফাইলগুলিকে। যদি আপনার একাধিক ব্রাউজার থাকে তবে প্রত্যেকটি একইভাবে ধাপ অনুসরণ করে ডিলিট করে ফেলুন ক্যাচে ফাইল।





অদরকারী এপ্লিকেশন এবং এপ্লিকেশন ক্যাচে ডিলিট করা

এপ্লিকেশনের ক্যাচে অনেকটাই ব্রাউজারের ক্যাচের মতোই।ব্রাউজারের মতোই আপনি এপ্লিকেশনে যা যা ব্যবহার করবেন তার ডাটা সংরক্ষতি থাকবে। এপ্লিকেশনের ক্যাচে ডিলিট করার পূর্বে দেখে ডিলিট করতে হবে। যাতে অদরকারীগুলো ডিলিট করতে গিয়ে ভুলে দরকারী ফাইল ডিলিট না হয়ে যায়।

ক্যাচে ডিলিট করতে সেটিংস>স্টোরেজ এরপর যে এপের ক্যাচে ডিলিট করার সেটায় গিয়ে ক্লিক করলে

ক্যাচে ক্লিয়ার করতে পারবেন। এপ্লিকেশনটি বেশি দরকার না হলে Force stop বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে বন্ধ করে রাখতেও পারবেন।

এছাড়াও যেসব এপ্লিকেশন বেশি কাজে দরকার হয়না সেগুলো ডিলিট করে দিলে র‍্যামের উপর চাপ কম পরবে এবং ভালোভাবে ফোনটি চলবে। কারণ অতিরিক্ত এপ্লিকেশন ফোনের র‍্যামের কার্যক্ষমতা হ্রাস করে দেয়।

নোটঃ Clear data ক্লিক করা যাবেনা এতে করে এপসে সংরক্ষন করা পাসওয়ার্ড, লগইন করা যা আছে তা চলে যাবে। আবার পুনরায় লগইন করেই পরে চালাতে হবে এপ্লিকেশনটিকে।


উইজেট ডিলিট করা

উইজেট মূলত মেইন এপ্লিকেশনের শর্টকাট হয়ে থাকে যার মাধ্যমে খুব সহজে সেই এপসে প্রবেশ করা যায়। তবে দেখা যায় অনেক সময় সব উইজেট আমরা ব্যবহার করিনা। তাই যেই উইজেটগুলি ব্যবহার করিনা সেগুলো ডিলিট করে দিলে এবং এক্সট্রা হোমপেজগুলোকে ডিলিট করে দিলে ফোনে একটি হোমপেজ থাকবে। এতে করে ফোনের স্প্রীড পারফর্মেন্স ভালো হবে।


এপ্লিকেশন আপডেট দেয়া

এপ্লিকেশন আপডেট দিলে মূলত ভালো একটা ইম্প্রুভমেন্ট আসে এপ্লিকেশনে। এর ফলে শুধু স্প্রীড বৃদ্ধি পায় তা না বরং অন্যান্য সিকিউরিটি বিষয়ক বৃদ্ধি পায় এবং আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। আপনি চাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট দিতে পারেন কিংবা ম্যানুয়ালি প্লে স্টোরে গিয়ে My apps & games এ ক্লিক করে update all দিলে আপডেট হয়ে যাবে সব।



লঞ্চার ইনস্টল করা

লঞ্চার ইনস্টল করলে খুব সহজে অল্প একটু হলেও ইমপ্রুভমেন্ট আসে এন্ড্রয়েড ফোনে। মূলত একদম সরাসরি এটা ফোনকে গতি বৃদ্ধি না করলেও এর দ্রুততা অবশ্যই দেখতে পাবেন। আপনি আপনার পছন্দ মতো অনেকগুলো দেখতে পারেন লঞ্চার এবং শেষে সেখান থেকে পছন্দের লঞ্চার নিজের ফোনে ইনস্টল করতে পারবেন। এবং সবশেষে ফোনের যে স্প্রীড বৃদ্ধি তা আপনার বৃদ্ধি পেয়ে যাবে।

উপরোক্ত ৬টি পদ্ধতি অনুযায়ী কাজ করলে ফোনের স্প্রীড অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে। তাই প্রত্যেকটি নিজস্বভাবে ব্যবহার করে ট্রাই করার অনুরোধ রইলো।

আজ টিপস এন্ড ট্রিকস নিয়ে এই পর্যন্তই। আশা করি পোস্টটি আলহামদুলিল্লাহ ভালো লেগেছে। আর ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

as